ই-কমার্স রেভিনিউ সমূহ সম্পর্কে আজকের আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসা উন্নত করার জন্য আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম পদক্ষেপ নিয়ে থাকি। যে সকল পদক্ষেপ গুলো নেওয়ার কারণে আমরা ব্যবসায়ের উন্নত লাভ করতে পারি। আজকের আমাদের এই আর্টিকেলের মোড় আলোচনা ই-কমার্স রেভিনিউ মডেলসমূহ সম্পর্কে। এই সকল বিষয়গুলো সম্পর্কে অনেকেই অবগত রয়েছেন আবার অনেকেই অবগত নয়। সকল বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে আসি।ই কমার্স রেভিনিউ মডেল সমূহ
ই-কমার্স রেভিনিউ মডেল সমূহ ই একটি ই-কমার্স ব্যবসায়ী উপার্জনের জন্য ব্যবহার করা হয়। এই মডেল গুলো আমাদের ওয়েবসাইট বা কোম্পানির আয়ের বিভিন্ন সম্পাদক উৎপাদন গুলির বিশ্লেষণ করে তৈরি করা হয়ে থাকে। এই রিভিনিউ মডেল গুলি কোম্পানির মাসিক এবং বাচ্চাদের উৎপাদন ক্ষমতা, বিপণন, ব্যবহারকারী সন্তুষ্টি সহ পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। বিভিন্ন প্রকার ই-কমার্স রেভিনিউ এর মডেল সমূহের মধ্যে থেকে বেশ কয়েকটি মডেল সমূহ উল্লেখ করা হলো।
বাইসেল (B2C আইকনোম)
এটি একটি ই-কমার্স ব্যবসার মডেল। যেখানে কোন অনলাইনের প্ল্যাটফর্ম থেকে পণ্য বা পরিষেবা বিক্রয় করে প্রাথমিকভাবে চুক্তি গ্রহণ করে ব্যবহারকারীদের মাধ্যমে লাভ উঠানোর মাধ্যমে মাঝে মাঝে কমিশন নেওয়া হয়। এই সকল প্লাটফর্ম গুলোর মধ্যে পড়ে যেমন, amazon, ইবে, ফ্লিপকার্ট ইত্যাদি। এই সকল মডেল গুলোর প্রতিষ্ঠান মূলত পণ্য ও পরিষেবা গুলি মার্কেটপ্লেস দেখানো হয় এবং এর ওপরে বিভিন্ন রকমের কমিশন লাভ করা হয়ে থাকে।
B2B
এই ই-কমার্স মডেলটি সবচেয়ে সফল অনলাইন ব্যবসায়িক কৌশল গুলোর মধ্যে একটি। এই মডেলটি ইন্টারনেট ব্যবসার জন্য ব্যাপক ভাবে প্রচলিত এবং এ থেকে বেশ উপার্জন করেছে। আমরা বিভিন্ন তথ্য থেকে জানতে পারি যে b2b বানিজ্য প্রতিবছর তৎক্ষণিকভাবে ৭ পয়েন্ট ৪ পার্সেন্ট হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে ই কমার্স যত প্রভাব বিস্তার করেছে তার সাথে সাথে এগুলোর ও প্রভাব বিস্তার হচ্ছে।
B2C মডেল
বর্তমান সময়ে এই মডেলটি বেশ প্রচলিত এবং জনপ্রিয় একটি মডেল। এ ধরনের মডেল গুলো খুচরা ব্যবসার মতোই প্রচারিত। এই সকল মডেল গুলোর মাধ্যমে উৎপাদনকারীরা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বা অন্যান্য স্থানে সরাসরি ভোক্তার নিকটে পণ্য বা সেবা বিক্রয় করে থাকেন। এর ফলে আমাদের মধ্যস্থানের মাধ্যমে এর প্রয়োজন হয় না। সে ক্ষেত্রে আমাদের কিছু অর্থ কম খরচ হয়।
ভক্তরা যখন সরাসরি প্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদনকারী বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে পেয়ে যান তখন তাকে B2C মডেল বলে। অর্থাৎ আমরা বলতে পারি, ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতিতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ভোক্তাদের নিকটে সরাসরি পণ্য ফেল বা বিক্রয় করাই হলো ব্যবসা থেকে ভোক্তা বা b2c মডেল পদ্ধতি। B2C মডেল এর উদাহরণস্বরূপ হিসেবে আমরা বলতে পারি, amazon, dell ইত্যাদি।
এই মাধ্যমে ব্যবসা করার জন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বা উৎপাদনকারীরা তাদের সেবা বা পণ্য বাজারজাতকরণের জন্য বিভিন্ন রকম ওয়েবসাইট ক্রিয়েট করে থাকেন। এবং সেই সকল ওয়েবসাইট গুলোতে তাদের পণ্য সম্পর্কে রিভিউ প্রদান করেন। সেখানে আমরা পণ্য কেনার জন্য যা কিছু প্রয়োজন সবকিছু দেখতে পাই।
যেমন, পণ্য কেনার জন্য দাম দেখার প্রয়োজন সেটা খুব সহজে দেখে যেতে পারি, পণ্যের বিবরণ, অর্ডার সিস্টেম, পেমেন্ট পদ্ধতি, পণ্য ডেলিভারির সময়, অনলাইন সাপোর্ট ইত্যাদি। এগুলো আমরা ওয়েবসাইটে ঢুকে সকল তথ্যগুলো খুব সহজেই দেখে নিতে পারি ঘরে বসেই। নিজের ইচ্ছা মত পণ্যগুলো পছন্দ করে সঙ্গে সঙ্গে আমরা অর্ডার করতে পারি।
অর্ডার করার পরে আমরা যথাযথ সময় সে পণ্যগুলো পেয়ে যাই। এ থেকে আমাদের সময়ের অপচয় কম হয় এবং ক্যাশ টাকার প্রয়োজন হয় না। আমরা ব্যাংক এর মাধ্যমে অথবা মোবাইল ব্যাংকিং অথবা যে কোন অ্যাপস এর মাধ্যমে খুব সহজেই পেমেন্ট পদ্ধতি বা পেমেন্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারি।
বিটুবি ই কমার্স বিজনেস মডেল কি
এই মডেলের মাধ্যমে ইন্টারনেটে আমরা যে সকল পণ্য বা পরিষেবার লেনদেন করে থাকি সেই সকল ইলেকট্রনিক্স বাণিজ্যের একটি ফর্ম। আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই লেনদেনটি অনলাইনের মাধ্যমে করে থাকি। এই ব্যবসায়িক মডেলটির মূল লক্ষ্য খুচরা দক্ষতা এবং খুচরা ব্যবসায়ীদের আয় বৃদ্ধি করা।
সাবস্ক্রিপশন
এটি এমন একটি মডেল পদ্ধতি যেটা ই-কমার্স ব্যবসা কে বেশ উন্নত করে থাকে। এই মডেলের মাধ্যমে আপনারা ই-কমার্স ব্যবসার পণ্য বা পরিষেবা নিয়ে গ্রাহকদের মাসিক ব্যক্তিদের সাবস্ক্রিপশন প্ল্যান চালানো হয়ে থাকে। গ্রাহকরা একটি পরিষেবা পণ্যের জন্য পরিশোধ করে এবং নির্দিষ্ট সময়কালে প্রতিবারের জন্য। উদাহরণস্বরূপ আমরা বলতে পারি, স্বাস্থ্যসেবা, পত্রিকা, পর্যটন সার্ভিস, সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান এছাড়াও অন্যান্য সাবস্ক্রিপশন মডেল এর উদাহরণ হতে পারে।
C2C মডেল
এই মডেলটির মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারীর কাছ থেকে অন্য আরেকজন ব্যবহারের কাছে লেনদেন সম্পাদিত হয়ে থাকে। অর্থাৎ অন্য কোন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এর সহযোগিতা ছাড়াই ভোক্তা থেকে ভোক্তার লেনদেন পদ্ধতি। এ সকল মডেলগুলোতে ও মিডিল মেন বা মধ্যে সহযোগিতা করে এমন মানুষ থাকে না।
আমরা এমন অনেক ওয়েবসাইট দেখে থাকবো যে সকল ওয়েবসাইটগুলোতে পুরাতন গাড়ি বিক্রয় করা হয়। শুধু গাড়ি নয় অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স জিনিসও ক্রয়-বিক্রয় করা হয়ে থাকে। আমরা যখন একটি জিনিস ক্রয় করি এবং পরবর্তীতে বিক্রয় করি এগুলোকে মূলত আমরা c2c বলে থাকি। বর্তমান সময়ে ই-কমার্সের মাধ্যমে আমরা সব রকম বিক্রয় পদ্ধতি দেখতে পাচ্ছি।
ই-কমার্সের মাধ্যমে বর্তমান সময়ে এক বক্তার নিকট থেকে সরাসরি অন্য বক্তার নিকটে পণ্য বিক্রয় সম্পাদন করা হচ্ছে। সাধারণত ভক্তরা বিভিন্ন বিজ্ঞাপন এর মাধ্যমে অথবা বিভিন্ন সাইটের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করছেন। এ ধরনের মডেলের উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি, eba.com, bikroy.com ইত্যাদি।

.jpg)
0 মন্তব্যসমূহ